ভারতীয় ভিসা আবেদনের
সকল তথ্য :
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র
কূটনীতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পাসপোর্টধারী
ছাড়া সবধরনের ভিসা আবেদনকারীর আবেদন
গ্রহণের কাজটি করে ভারতীয়
ভিসা আবেদন কেন্দ্র।
তবে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ
এবং সিদ্ধান্তের বিষয়টি নির্ভর করে
হাই কমিশনের ওপর। আর
ভিসা আবেদন করতে হবে
অনলাইনে http://indianvisaonline.gov.in/visa/ সাইটটির মাধ্যমে।
বেশ কয়েক ধরনের
ক্যাটাগরিতে ভারতীয় ভিসার আবেদন
করা যায়:
Ø
কূটনৈতিক
ভিসা,
Ø
বিজনেস
ভিসা,
Ø
কনফারেন্স
ভিসা,
Ø
এমপ্লয়মেন্ট
ভিসা,
Ø
ইমার্জেন্সি
ভিসা,
Ø
এন্ট্রি
ভিসা,
Ø
জার্নালিস্ট
ভিসা,
Ø
মেডিকেল
ভিসা,
Ø
মিশনারি
ভিসা,
Ø
স্টুডেন্ট
ভিসা,
Ø
ট্যুরিস্ট
ভিসা,
Ø
ট্রানজিট
ভিসা,
Ø
রিসার্চ
ভিসা,
দু’মাসের মধ্যে
পুনঃপ্রবেশের অনুমতিসহ ভিসা,
জার্নালিস্ট ভিসা, ইত্যাদি।
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্রগুলো:
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, গুলশান, ঢাকা ঠিকানা:লেক ভিউ, বাড়ি:
১২, সড়ক: ১৩৭, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।ফোন:
00-88-02-9893006, 8833632মোবাইল
ফোন: 0171 3389499ফ্যাক্স: 00-88-ই-মেইল: info@ivacbd.comওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, মতিঝিল, ঢাকা ঠিকানা:স্টেট ব্যাংক অফ
ইন্ডিয়া, সাধারণ বিমা ভবন,
২৪-২৫, দিলকুশা, বাণিজ্যিক
এলাকা,ফোন: 00-88-02-9553371, 9554251ফ্যাক্স: 00-88-02-9563991ই-মেইল: info@ivacbd.comওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, চট্টগ্রাম,ঠিকানা:২১১১, জাকির
হোসেন রোড, হাবিব লেন,
চট্টগ্রাম।(হলিক্রিসেন্ট
হাসপাতালের বিপরীতে)ফোন: 00-88 -031-2551100ফ্যাক্স: 00-88-031-2524492ই-মেইল: ivacctg@colbd.comওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, সিলেট ঠিকানা:স্টেট ব্যাংক অব
ইন্ডিয়া, রোজ ভিউ কমপ্লেক্স,
শাহজালাল উপশহর, সিলেট- ৩১০০টেলিফোন:
00-88-0821 – 719273ফ্যাক্স:
00-88-0821-719932ই-মেইল: info@ivacbd.comওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভারতীয় ভিসা আবেদন
জমাদান কেন্দ্র, খুলনা ঠিকানা:ড. মতিয়ার রহমান
টাওয়ার, ৬৪, কেডিএ এভিনিউ,
কেডিএ কমার্শিয়াল এরিয়া, ব্যাংকিং জোন,
খুলনা-৯১০০টেলিফোন: 00-88-041-2833893ফ্যাক্স: 00-88-041-2832493ই-মেইল: info@ivacbd.comওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, রাজশাহী---ঠিকানা:মরিয়ম আলী
টাওয়ার, হোল্ডিং নম্বর-১৮, প্লট
নম্বর- ৫৫৭, দ্বিতীয় তলা,
পুরাতন বিলসিমলা, গ্রেটার রোড, বর্ণালী মোড়,
দ্বিতীয় তলা, ওয়ার্ড নম্বর-১০, রাজশাহী।ফোন: 88-0721-812534, 88-0721-812535ই-মেইল: info.rajshahi@ivacbd.com ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com
ভিসা আবেদন ফি
(অফেরতযোগ্য)
বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের কোন ভিসা ফি
প্রয়োজন হয় না, তবে
ভিসা প্রসেসিং ফি দিতে হয়।
পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা আবেদনের সময়
পাসপোর্ট জমা দেয়ার পর
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে
ভিসা ইস্যু হয়েছে কিনা
আর ভিসা ইস্যুর পর
ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে
পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। তিন
মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও
পাসপোর্ট সংগ্রহ না করলে
পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানা
বা বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ দপ্তরে পাসপোর্ট
পাঠিয়ে দেয়া হয়।
তাই এ ঝামেলা থেকে
রেহাই পেতে যথাসময়ে ভারতীয়
ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে
পাসপোর্ট সংগ্রহ করা উচিত। পাসপোর্ট
ডেলিভারি সংক্রান্ত কোন সমস্যা বা
অভিযোগের ক্ষেত্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে
নিচের ঠিকানাগুলোতে:
ব্যবস্থাপক (প্রশাসন), ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্র, বাড়ি নম্বর: ১২,
সড়ক: ১৩৭, গুলশান-১,
ঢাকা।
ফোন: 02-8833632
ফ্যাক্স: 02-9863229
ই-মেইল: Info@ivacbd.com
অথবা
চিফ অপারেটিং অফিসার,
ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র,
স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া,
উদয় টাওয়ার, গুলশান-১, ঢাকা। ফ্যাক্স:
02-8835602 ই-মেইল: manager@sbigb.com
ভারতীয় ভিসার নিয়মকানুন:
পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ছয়
মাস থাকতে হবে।
শিশুদের জন্য ভিসা আবেদনের
ক্ষেত্রও আলাদা পাসপোর্ট প্রয়োজন
হবে।
ভিসা আবেদন ফর্মটি
সতর্কতার সাথে পূরণ করতে
হবে কারণ যেকোনো ভুল
তথ্যের দায় আবেদনকারীকেই নিতে
হবে আর ভিসা ইস্যু
হওয়ার পরই বরং ভ্রমণের
বিস্তারিত পরিকল্পনা করা উচিত।
২০১০ সাল থেকে
চালু হওয়া নিয়মানুযায়ী কেবল
অনলাইনে করতে হয় ভিসা
আবেদন।
ঢাকা, খুলনা এবং
বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের অবশ্যই ঢাকার গুলশান
অথবা মতিঝিলের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে
আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আর
সিলেট, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী বিভাগের
বাসিন্দাদের নিজ নিজ আঞ্চলিক
ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আবেদনপত্র
জমা দিতে হবে।
আর বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশী নাগরিকদের আবেদনপত্র
জমা দিতে হবে গুলশান
অথবা মতিঝিলের ভিসা আবেদন কেন্দ্রে।
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের
পর আবেদনপত্রের এক কপি এবং
সাম্প্রতিক তোলা এক কপি
পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি
জমা দিতে হবে।
অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরম
পূরণের পর আবেদনকারীর যে
কপি তৈরি হয় তাতে
আবেদনপত্র জমা দেয়ার তারিখ
এবং সময় উল্লেখ করে
দেয়া হয়। নির্ধারিত
দিন এবং সময়েই আবেদনপত্র
জমা দিতে হবে।
তবে যথাসময়ে যাওয়া সম্ভব না
হলে ঐদিনই অফিস সময়ের
(সকাল ৮:০০-দুপুর
১২:০০) মধ্যে পৌঁছাতে
পারলেও আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে।
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণে
কোন ভুল হলে সেটা
সংশোধনের কোন সুযোগ নেই,
তবে কোন ভুল হলে
নতুন করে আবেদন ফরম
পূরণ করা যাবে।
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ
করলেই যে এপয়েন্টমেন্ট বা
ফরম জমা দেয়ার তারিখ
পাওয়া যাবে তা বলা
যায় না। তারিখ
ছাড়াই আবেদনকারীর কপি তৈরি হতে
পারে। সাধারণত
অনুমোদিত সীমার চেয়ে অনেক
বেশি মানুষ ভারতীয় ভিসা
আবেদন করে আর তাই
সবাইকে তারিখ দেয়া সম্ভব
হয় না। আবেদন
ফরম পূরণের পর তারিখ
না পেলে পরবর্তী কোন
এক সময় বা দিনে
আবার চেষ্টা করতে হবে। তবে
নতুন করে ফরম পূরণ
করার দরকার নেই।
পূর্বে আবেদন ফরম পূরণের
সময় পাওয়া ওয়েব ফাইল
নম্বর এবং জন্ম তারিখের
মাধ্যমে ওয়েবসাইটে লগইন করে তারিখ
পাওয়ার চেষ্টা করা যাবে। পেশাদার
আবেদন ফরম পূরণকারীরা দিনে
কয়েকবার চেষ্টার মাধ্যমে তারিখ পেতে সাহায্য
করেন। আর
আপনি নিজে চেষ্টা করলেও
কয়েকদিন চেষ্টা করলেই তারিখ
পেয়ে যাবেন।
আবেদন ফরম পূরণ
করে তারিখ পাওয়ার পর
সেটার প্রিন্ট কপি নিতে হবে। প্রিন্ট
কপি নিতে ভুলে গেলেও
অসুবিধা নেই, ওয়েব ফাইল
নম্বর এবং জন্ম তারিখের
সাহায্যে লগইন করে যেকোনো
সময় প্রিন্ট আউট নিতে পারবেন।
কোন কারণ ছাড়া
একাধিক তারিখের জন্য একাধিক ভিসা
আবেদন করা ঠিক নয়। যুক্তিসঙ্গত
কোন কারণ ছাড়া একাধিক
তারিখের জন্য একাধিক ভিসা
আবেদন করলে ভিসা ইস্যু
নাও হতে পারে।
ভিসা আবেদন ফরম
জমা দেয়ার পর আবেদনের
অবস্থা বা স্ট্যাটাস জানতে
টেলিফোন, ফ্যাক্স বা ই-মেইলের
মাধ্যমে ভারতীয় ভিসা আবেদন
কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে,
এক্ষেত্রে স্টিকার নম্বর বা পাসপোর্ট
নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ
পাঁচজনের জন্য আবেদনপত্র জমা
দিতে পারেন, তবে তাদেরকে
জমাদানকারীর পরিবারের সদস্য হতে হবে। বাবা-মা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, এদের পরিবারের সদস্য
ধরা হয়।
এছাড়া সংসদ সদস্য,
বিচার বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,
প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী, ব্যবস্থাপনা
পরিচালক এবং তাদের পরিবারের
সদস্যবৃন্দ এবং সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিবর্গের
হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা ই-টোকেনসহ আবেদনপত্র
জমা দিতে পারেন।
সামরিক বাহিনী, পুলিশ
বাহিনী বা নিরাপত্তা রক্ষায়
নিয়োজিত বা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে
নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রোফর্মা জমা দিতে হয়।
সিকিম, কাশ্মীর, অরুণাচল,
হিমাচল, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, উতরাখন্ডসহ ভারতীয় কিছু এলাকায়
যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় সেসব জায়গায়
যেতে হলে অতিরিক্ত ফরম
পূরণ করে দিতে হয়
এবং এসব ক্ষেত্রে ভিসা
প্রসেসিংয়ে চার সপ্তাহ বা
তার চেয়ে বেশি সময়
দরকার হতে পারে।
ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে
ভারতে যেতে হলে বিজনেস
ভিসা বা “বি” ভিসা
এবং চাকুরী সংক্রান্ত কাজে
ভারত যেতে হলে এমপ্লয়মেন্ট
ভিসা বা “ই” ভিসা
নিতে হবে।
ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভিসার জন্য আবেদন
করতে হলে আর্থিক সামর্থ্যের
প্রমাণের পাশাপাশি ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার পক্ষেও কাগজপত্র দেখাতে
হবে।